Home

নিসর্গ মেনু

  • প্রকৃতিসংবাদ
  • ফিল্ডগাইড
    • বাংলাদেশের পাখি
  • প্রবন্ধগুলো
    • পাখি
    • ভ্রমণ
    • ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফি
  • শিশুতোষ
  • শুধুই ছবি
  • ভিডিও
অজিবওয়ে ন্যাচার পার্ক আমাজন কানাডা কার্বোক্সিঅ্যাট্রাক্টিলোসাইড খুলনা জলবায়ুর পরিবর্তন ডেট্রয়েট নদী নায়াগ্রা নৌকা পরিবেশ বিপর্যয় পর্যটন পাখি বাংলাদেশ বাঘ বানর বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ভ্রমণ রাজশাহী লালপাখি সাপ সিলেট সুন্দরবন হাতি Carboxyatractyloside
আরো ট্যাগ

বাঁশখালী ইকোপার্ক

লিখেছেন মাছরাঙা
বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০০৭ - ০১:০৬
ক্যাটেগরি: ভ্রমণ

বাঁশখালী উপজেলার জলদী বনবিটের আওতাধীন রক্ষিত বনাঞ্চলের বামের ছড়া ও ডানের ছড়া এলাকা নিয়ে ২০০৪ সালের দিকে বন বিভাগ বাঁশখালী ইকোপার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়। উঁচু নিচু টিলা। প্রকৃতির উদার হাতে গড়ে ওঠা বন। বিচিত্র ধরনের পশু পাখী। এরই মাঝে শিক্ষা, গবেষণা, ইকোট্যুরিজম ও চিত্তবিনোদনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষে সৃষ্টি করা হয় এই ইকোপার্ক।

চুনতি অভয়ারণ্যের এক হাজার হেক্টর জমি নিয়ে বাঁশখালী ইকোপার্কের যাত্রা শুরু। আশপাশের নৈসর্গিক সৌন্দর্যমণ্ডিত পাহাড় ও বনাঞ্চল নিয়ে আসা হয় এর আওতায়। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের আলোকে ৭৭৬৪ হেক্টর বনভূমি নিয়ে চুনতি অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়। অভয়ারণ্য ঘোষণার মূল লক্ষ ছিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বনাঞ্চল সুরক্ষা, বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল উন্নয়ন, বনায়ন, চিত্তবিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে এর তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি।

২০০৪ সালের পর এর উন্নয়নের ব্যাপারে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। তাছাড়া বাঁশখালী ইকোপার্ক সম্পর্কে জানা যায়, বর্তমানে যেখানে ইকোপার্কটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা এক সময় ছিল জঙ্গলাকীর্ণ ও শ্বাপদ-সংকুল। জানা-অজানা গাছগাছালি, পশু পাখির দেখা মিলত এখানে। ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও আশেপাশের লোকজনের কারণে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হয়ে যায়। বাঁশখালী ইকোপার্ক প্রকল্প এলাকাটি চুনতি অভয়ারণ্যের অন্তর্ভূক্ত হলে দীর্ঘ অব্যবস্থাপনার কারণে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়ে।

১৯৯৩ সালের দিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, 'ইফাদ' এর আর্থিক সহায়তায় বামের ছড়ার উপর একটি বাঁধ নির্মাণ করে স্লুইচ গেটের মাধ্যমে জলদি, শীলকূপ ও চাম্বল এলাকায় কৃষিজমিতে পানি সেচ দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। ১৯৯৯ সালের দিকে বিশ্বখাদ্য সংস্থার আর্থিক সহায়তায় এলজিইডি বাঁশখালী উপজেলা কর্তৃপক্ষ ডানের ছড়ায় আরেকটি বাঁধ নির্মাণ করে। এখানে বাঁধ দেয়ার কারণে সুন্দর কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি হয়। বামের ছড়ার বাঁধের জলাশয় এলাকার পরিমাণ ২০ হেক্টর এবং ডানের ছড়া বাঁধের জলাশয় এলাকার পরিমাণ ৬০ হেক্টর।

২০০০ সালের দিকে বামের ছড়া এবং ডানের ছড়ার মধ্যবর্তী পাহাড় কেটে হ্রদ দু'টিকে এক করা হয়। এর পর থেকে বাঁশখালী ইকোপার্কের শ্রীবৃদ্ধিসাধন করা হয়। ২০০৬ সালের দিকে ইকোপার্কটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিক দিয়ে বাঁশখালী ইকোপার্ক এখন দেশের অন্যতম সেরা পর্যটন স্পট। যাদের এখনো এই পর্যটন স্পট সম্পর্কে ধারণা নেই, তাদের একবারের জন্য হলেও পার্কটি দেখে আসা উচিত।

দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের জন্য রেস্ট হাউজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পিকনিক করার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ এবং সুযোগ সুবিধা রয়েছে। বামের ছড়া এবং ডানের ছড়া লেকে নৌ বিহারের জন্য রয়েছে সুসজ্জিত বোট। এখানে রয়েছে সুউচ্চ পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। যেখান থেকে কুতুবদিয়া চ্যানেলে অবস্থানরত দেশী-বিদেশী জাহাজের বহর এবং বঙ্গোপসাগর দেখা যায়। এখানে লেকের উপর রয়েছে দেশের দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতু। সেতু দিয়ে পাহাড়ের একপাশ থেকে অন্যপাশে যাওয়া যায়। লেকে অতিথি পাখির কলকাকীতে মুখরিত থাকে পরিবেশ। বন্যপশুপাখীর জন্য রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। আগত পর্যটক এবং দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে কটেজ, রিফ্রেশমেন্ট কর্ণার, প্যানারোমিক ভিউ টাওয়ার, উন্নতমানের টয়লেট, সাসপেনশন ব্রিজ, ফুল, ফলের বাগানসহ আরো অনেক কিছু। বাঁশখালী ইকোপার্ক সম্পর্কে দেশের মানুষ এখনো পর্যন্ত পুরোপুরিভাবে অবগত হতে পারেননি। তবুও এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক এবং দর্শনার্থী ভিড় জমাচ্ছেন পাহাড়ি সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য।

বাঁশখালী ইকোপার্কটি এখনো পর্যন্ত পূর্ণতা অর্জন করতে পারেনি। বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে পর্যটক এবং দর্শনার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এখানে গাড়ি পার্কিংয়ের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। রেস্ট হাউসে রুমের সংখ্যা কম হওয়ায় স্থানাভাবে পর্যটকদের কষ্ট পেতে হয়। উন্নতমানের হোটেল রেস্তোরাঁর ব্যবস্থা নেই। চট্টগ্রাম শহর থেকে যাতায়াতের ব্যবস্থাটাই আরামদায়ক নয়। বাঁশখালী সড়কের প্রশস্থতা কম। এই পর্যটন স্পট থেকে সরকারের প্রচুর রাজস্ব আয়ের সুযোগ রয়েছে। তবে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আকর্ষণের লৰ্যে এই ইকো পার্ক নিয়ে প্রচারণা খুব কম।

লিখেছেন আবুল কাসেম ভুঁইয়া
Daily Ittefaq February, 07, 2007:

  • 544 বার পঠিত
  • এই পাতাটি ইমেইল করুনএই পাতাটি ইমেইল করুন

Various kinds of problem of Banskhali Eko Park

লিখেছেন Mohammad Yousuf , Tue, 12/29/2009 - 19:24.

Banskhlai Eko park is very beautiful place for the tourist. But there are many problem in Banskhali Eko park. Those who goes to see Bank

  • জবাব

মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • You can use BBCode tags in the text. URLs will automatically be converted to links.
  • Insert Flickr images: [flickr-photo:id=230452326,size=s] or [flickr-photoset:id=72157594262419167,size=m].
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.

ফরম্যাটিং অপশনস

CAPTCHA
বট বা স্ক্রীপ্ট দ্বারা অটোম্যাটিক স্প্যাম ঠেকাতে এই প্রশ্নটি করা হচ্ছে।
6 + 13 =
Solve this simple math problem and enter the result. E.g. for 1+3, enter 4.

প্রকৃতি সংবাদ

বুনো হামলায় মরলে দুই লাখ টাকা

মঈনুল হক চৌধুরী
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রতিবেদক

ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ২০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বন্যপ্রাণীর আক্রমণে কারো মৃত্যু হলে দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে সরকার।

এ সংক্রান্ত প্রস্তাবিত...

অনলাইনে

0 সদস্য ও ১ অতিথি

 নিসর্গ ফীড

© প্রকাশিত লেখা ও ছবির সকল স্বত্ব লেখক বা সূত্র কর্তৃক সংরক্ষিত এবং বিনা অনুমতিতে সেগুলো অন্য কোন মাধ্যমে প্রকাশ করা যাবেনা।
আমাদের সম্পর্কে | যোগাযোগ | কৃতজ্ঞতা | নিসর্গ ব্লগ
Nature.com.bd is registered to Enayetur Raheem. Nishorga has no relationship with nature.com