• Narrow screen resolution
  • Wide screen resolution
  • Auto width resolution
  • Increase font size
  • Decrease font size
  • Default font size
Member Area

নিসর্গ : বাংলার প্রকৃতি | Nishorga : Bangladesh Nature & Environment

Saturday
Jul 05th
হোম arrow প্রবন্ধ arrow জাবিতে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র
জাবিতে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র প্রিন্ট কর ইমেল
লিখেছেন সীমান্ত দীপু   
Friday, 01 June 2007

বাংলাদেশের যে ক'জন ওয়াইল্ড লাইফ বায়োলজিষ্ট দেশে বিদেশে সুপরিচিত এবং সুনামের সহিত কাজ করছেন তাদের মধ্যে প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তফা ফিরোজ প্রধানতম। ১৯৯৯ সালে ক্যামব্রিজ থেকে পিএইচডি শেষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত করেন। এটি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম ওয়াইল্ড লাইফ রেসকিউ সেন্টার। তার সহচরে থেকে ডব্লিউ আর সি ও তার কর্মজীবন নিয়ে লিখেছেন "সীমান্ত দীপু"।

ডব্লিউ আর সি তে ভোঁদরের নয়নাভিরাম দৃশ্য
ডব্লিউ আর সি তে ভোঁদরের নয়নাভিরাম দৃশ্য
জীববৈচিত্র্যের সম্ভারটা প্রাকৃতিকভাবে আমাদের দেশে বেশী । প্রাণীভৌগলিক অবস্থানগত দিক থেকে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার এবং দক্ষিণ পুর্ব এশিয়ার মধ্যবর্তী একটি "ট্রানজিশনাল জোন" যা হাজার বছর ধরে দু'অঞ্চলে প্রাণীদের বিস্তৃতি ও চলাচলে বিশেষ ভূমিকা রেখে আসছে। তাই আয়তনে ছোট হওয়া সত্বেও আমাদের দেশটি জীববৈচিত্র্যে ভরপুর। পুরো আমেরিকার টেক্সাস স্টেট বাংলাদেশের চেয়ে পাঁচ গুন বড়। সেখানে পাওয়া যায় মাত্র দুই প্রজাতির মাছরাঙ্গা অথচ আমাদের সুন্দরবনেই প্রায় দশ প্রজাতির মাছরাঙ্গ পাওয়া যায়। সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাপ্ত ঊনিশ প্রজাতির বানর ও নর বানরের মধ্যে দশটি প্রজাতি আমাদের দেশে পাওয়া যায়। আমাদের দেশে পাখির প্রজাতির সংখ্যা সাত'শর উপরে। মোট প্রাপ্ত বন্যপ্রানীর প্রজাতির সংখ্যা ৮৮৯। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট আমাদের দেশে অবস্থিত। সুন্দরবন ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের মধ্যে পৃথিবীর অন্যতম। বেঙ্গল টাইগারের জন্য আমরা বিখ্যাত বহু আগে থেকেই। এছাড়া সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যেই বাংলাদেশের একমাত্র টেকনাফেই পাওয়া যায় "প্যারাইল্লা বানর"।

 

এই বিপুল পরিমাণ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব কিন্তু বিগত দু'দশক ধরে অপরিকল্পিতভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে নির্বিচারে বন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস করা হচ্ছে। যার ফলে জীববৈচিত্র্য আজ মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন । বিশেষত উভচর, সরীসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ী প্রাণী যাদের একসাথে আমরা বন্যপ্রাণী বলে থাকি তাদের অবস্থা সবচাইতে আশঙ্কাজন পর্যায়ে পৌঁছেছে।

ডব্লিউ আর সির উদ্বোধন করছেন জাবি'র ভিসি খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান ও প্রফেসর ড. মো: মোস্তফা ফিরোজ
ডব্লিউ আর সির উদ্বোধন করছেন জাবি'র ভিসি খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান ও প্রফেসর ড. মো: মোস্তফা ফিরোজ
বর্তমানে বাংলাদেশের বনাঞ্চলের পরিমান দশ শতাংশের অনেক নীচে। তার উপর মানুষের তৈরী বনগুলো বিদেশী গাছে ভরা। ফলে বনগুলোতে বন্যপ্রাণীর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এ অবস্থায় প্রায়ই দেখা যায় বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী মানুষের হাতে ধরা পড়ছে এবং প্রায় সময়ই মানুষ এদের মেরে ফেলে, খুব কম প্রাণীই নিজেরা রেখে দেয় বা চিড়িয়াখানায় হস্তান্তর করে। তাই দু'একটি বাদে প্রায় সব প্রাণীই মারা যায়। এ অবহেলার দায় আমাদের দেশে কোন মানুষই বহন করতে চায় না, নেই কোন পরিবেশ সংগঠনের মুখ্য ভূমিকা ; এমনকি বন মন্ত্রণালয় পর্যন্ত তেমন ভূমিকা রাখতে পারছে না। এমতাবস্থায় প্রফেসর ড. মোস্তফা ফিরোজ অনেকটা ব্যক্তি উদ্যোগেই প্রতিষ্ঠিত করলেন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র (Wildlife Rescue Centre)।

একেবারেই প্রকৃতির এ মানুষটি অনেক দেশের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে প্রতিষ্ঠf করলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণীবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান হওয়ার পর এর কার্যক্রম আরো বৃদ্ধি পেতে থাকে। জা.বি ক্যাম্পাসকে জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ ক্যাম্পাস বলা হয়। এ ক্যাম্পসের ঠিক দক্ষিণ পাশে পাঁচ একর জমির উপর প্রফেসর ফিরোজের এক আবেদনের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ বরাদ্দ দিয়েছেন। প্রাণীবিদ্যা বিভাগের বন্যপ্রাণী শাখার শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহনের মাধ্যমে ডব্লিউ আর সি একটি সফল প্রতিষ্ঠান । এটি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিভাগের শিক্ষক ড. মোঃ মফিজুল কবির, মিসেস সাজেদা বেগম ও এ.এইচ.এম আলী রেজা সার্বিক বিষয়ে সহযোগীতা করেছেন। বর্তমানে জনাব মোঃ আব্দুল আজিজ ও মোঃ কামরুল হাসান সার্বক্ষনিকভাবে এ প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত।

প্রফেসর ফিরোজের মতে ডব্লিউ আর সি'র প্রধান উদ্দেশ্য হল, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধরা পড়া প্রাণী, বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী এ সেন্টারে নিয়ে এসে তাদের সংরক্ষণ করা এবং প্রজনন ঘটিয়ে আবার সে পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়া। এ ক্ষেত্রে ডব্লিউ আর সি আমাদের দেশে এমনকি দক্ষিণ এশিয়ারও একটি মডেল হিসেবে গন্য করা যায়। অধিকাংশ উদ্ভিদ ও প্রাণীর এটি একটি নিরাপদ স্থান। বর্তমানে ডব্লিউ আর সিকে জীববৈচিত্র্যের একটি সম্ভার বলা যায়। এখানে ১১ প্রজাতির উভচরের মধ্যে এক্সক্লুসিভ হল গ্রীনফ্রগ। বর্তমানে এখানে Ampbibian Poll নির্মাণ করে ব্যাঙ এর প্রজনন করা হচ্ছে। এখানে ১৯ প্রজাতির সরীসৃপের মধ্যে সোনাগুই সচরাচর চোখে পড়ে। বেশ কিছুদিন আগে এখানে ছাড়া হয়েছে দাড়াশ সাপ যা পরিবেশের জন্য খুবই উপকারী। এখানে ১৩১ প্রজাতির পাখির মধ্যে আটপৌড়ে দামা এ ক্যাম্পাস থেকে বাংলাদেশে প্রথম রেকর্ড করেন মনিরুল এইচ খাঁন। ডব্লিউ আর সিতে ১২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী পাওয়া যায়। এখানে ছাড়া হয়েছে দুর্লভ প্রজাতির ভোঁদর। যাদের নয়নাভিরাম চলাফেরা দেখার মত। এছাড়া খরগোশ ও শিয়ালেরও অভয়ারন্য বলা যায় এ ক্যাম্পাসকে।

 

কচ্ছপের হ্যাচারিতে গবেষণারত ছাত্রছাত্রী
কচ্ছপের হ্যাচারিতে গবেষণারত ছাত্রছাত্রী
এখানে এন.এস.টি থেকে প্রাপ্ত প্রফেসর ফিরেজের একটি গবেষণা প্রকল্পের কিছু অংশ দিয়ে এর ভিতরে পাখিদের জন্য একটি Aviary তৈরী     করেছেন। সেখানে এখন পাহাড়ী ময়নার প্রজনন করানোর চেষ্টা করানো হচ্ছে। সবকিছু বিবেচনায় আনলে ডব্লিউ আর সির সাফল্য বলে শেষ করা যাবে না। ADB, IUCN ও USA এর Fish and Wild Life Services এর সহযোগীতার ডব্লিউ আর সি থেকে বেশকিছু প্রজেক্ট সম্পন্ন হয়েছে। তাই দেশে বিদেশে এর সুনাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডব্লিউ আর সি জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশে বিদেশে বিভিন্ন প্রোগ্রাম করছে। জা.বি ক্যাম্পাসে পাখি মেলা করতে ডব্লিউ আর সি সহায়তা করে থাকে। ধরা পড়া প্রাণীদের নিয়ে বা বিলুপ্ত প্রাণীদের সংরক্ষন করতে কিভাবে কাজ করতে হবে বিভিন্ন সেমিনারের মাধ্যমে ডব্লিউ আর সি তুলে ধরেছে। প্রফেসর ফিরোজের এ সফল প্রচেষ্টাগুলো আজ তার বিভাগের ওয়াইল্ড লাইফ ব্র্যাঞ্চকে অনেক দুর এগিয়ে নিয়ে গেছে। এমনকি এটাও বলা যায় দেশের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সবচেয়ে সমৃদ্ধ ওয়াইল্ড লাইফ ব্রাঞ্চ হল, জা.বি প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ব্রাঞ্চটি।

প্রফেসর ফিরোজ ও তার সহকর্মীদের এ প্রচেষ্টা দেশের পরিবেশ সংরক্ষণে একটি ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ। এরকম সংগঠনের সংখ্যা আমাদের দেশে এমনকি সারা বিশ্বে বহুগুনে বৃদ্ধি করা একান্ত আবশ্যক। তাতে প্রাণীবৈচিত্র্যের বিপুল সম্ভারটা একদিকে যেমন রক্ষা পাবে, অন্যদিকে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীদের একটি নতুন সেতুবন্ধন গড়ে তোলা সম্ভব।

নিচে ড. ফিরোজের সাথে একটি সাক্ষাৎকার দেয়া হল। 

সী. দীপুঃ ডব্লিউ আর সি কবে এবং কেন প্রতিষ্ঠিত করলেন ?
প্রফেসর ফিরোজঃ ১৯৯৯ সালে দেশে ফিরে আমাদের পরিবেশ এবং প্রাণীদের অবহেলার বিষয়টি আমাকে ভাবিয়ে তোলে। এরই প্রেক্ষাপটে বেশকিছু গবেষণা শেষে ২০০৪ সালের ১৭ই আগষ্ট ডবি্লউ আর সি প্রতিষ্ঠা করি।

সী. দীপুঃ বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীদের আমাদের সংরক্ষণ বা টিকিয়ে রাখা কতটুকু জরুরী বলে আপনি মনে করেন ?
প্রফেসর ফিরোজঃ বন্যপ্রাণী আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ। ৮৮৯ প্রজাতির এই বিপুল সংখ্যক বন্যপ্রাণীর সম্ভার সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব এবং এর মাধ্যমেই বিশ্বে আমাদের পরিচয়ে নতুন একটি ধাপের অগ্রযাত্রা শুরু করতে পারি।

সী. দীপুঃ দেশের বাহিরে ডব্লিউ আর সির মত মডেল কি দেখা যায় ? কোন দেশের মডেল অনুসরন করছেন।
প্রফেসর ফিরোজঃ ডব্লিউ আর সি হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার এটিই প্রথম এ ধরনের প্রতিষ্ঠান। আমি এ প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছি সম্পুর্নভাবে আমাদের বন্যপ্রাণী নিয়ে গত দুই যুগের গবেষণা ও অভিজ্ঞতার আলোকে। ডব্লিউ আর সি সম্পুর্ণভাবেই আমাদের চিন্তার ফসল।


সী. দীপুঃ ডব্লিউ আর সি নিয়ে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও পরিকল্পনা কি ?
প্রফেসর ফিরোজঃ ডব্লিউ আর সিতে বন্যপ্রাণীদের গবেষণার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে, আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় ও জাপানের কিয়োটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাইমেট রিসার্চ ইন্সিটিটিউটের সাথে যৌথভাবে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সমূহ নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে কাজ শুরু করছি। ভবিষ্যতে ডব্লিউ আর সি তে বন্যপ্রাণী গবেষণার আরো বিস্তৃতি লাভ করবে বলে আমি আশা রাখি।


সী.দীপুঃ বর্তমানে কি নিয়ে কাজ করছেন ?
প্রফেসর ফিরোজঃ ডব্লিউ আর সি প্রতিষ্ঠা ছাড়াও অতি সম্প্রতি বন্যপ্রাণী গবেষণার আরো একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে যাচ্ছি। জাপানে কিয়োটা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাইমেট রিসার্চ ইন্সিটিটিউটের সহায়তায় আমার বিভাগে একটি পপুলেশন জেনেটিক্স ল্যাব তৈরি করছি। এখানে ডি.এন.এ. বিশ্লেষণের মাধ্যমে বন্যপ্রানীদের পপুলেশনের বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষনা করা হবে।

সী.দীপুঃ আপনার দীক্ষাগুরুদের মধ্যে প্রধানতম কারা ?
প্রফেসর ফিরোজঃ অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলামের হাত ধরেই আমার বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী গবেষণায় নিজেকে সমপৃক্ত করেছি। এছাড়া আমার পি,এইচ,ডি গবেষনার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ডেভিড জে. চিভার্স। তিনিও আমার দীক্ষাগুরু।

সী.দীপুঃ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন ?
প্রফেসর ফিরোজঃ শিক্ষা, ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের প্রত্যেক ক্ষেত্রেই সততা, নিরলস পরিশ্রম ও একনিষ্ঠভাবে কাজের কোন বিকল্প নেই। আমাদের দেশকে নিয়ে গর্ব করার মত অনেক কিছু আছে। তাই তরুন সমাজকে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

ছবিঃ প্রফেসর ড. মোস্তফা ফিরোজ ও মোঃ কামরুল হাসান

স্প্যামবটের হাত থেকে এই ইমেল ঠিকানা সুরক্ষিত আছে। পড়ার জন্যে জাভাস্ক্রিপ্ট অন করুন।

মন্তব্যগুলো (5)Add Comment
...
লিখেছেন komol, March 29, 2008
uddagta khub valo lagasa amar kase.thanks sir
...
লিখেছেন nehal, August 06, 2007
valo lagesa ai sundor uddag nauar jonno.thanks sir
...
লিখেছেন nehal, August 06, 2007
uddagta khub valo lagasa amar kase.thanks sir
...
লিখেছেন এনায়েত, June 27, 2007
জনাব সোহাগ ভূঁইয়া,

সাইট ভিজিট করা এবং আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনার ভাবনা সত্যিই হলেই খুশি হতাম। কিন্তু স্প্যামারদের কাছে সাইটের জনপ্রিয়তা বোধহয় কোন বিষয়না। এর আগে পোস্ট মডারেট করতাম, কোন সিকিউরিটি ইমেজ ছিলনা। আপনি হয়ত বিশ্বাসই করবেননা কত স্প্যাম মুছতে হত প্রতিদিন। মডারেট করতে করতে অনেক সময় নষ্ট হয়। সেই সময় আমি খবর সংগ্রহ আর অনুবাদ করার কাজে ব্যয় করতে পারছি।
...
লিখেছেন সোহাগ ভূইঁয়া, June 12, 2007
চমৎকার।
লেখাটি ভালো হয়েছে, সেই সাথে ভালো লেগেছে এই ওয়েবসাইটের উদ্যেগ।
তবে সিকিউরিটি ইমেজটি উঠিয়ে দিলেই বোধহয় ভালো হয়। এই মূহুর্তে আপনার সাইটে স্প্যামিং শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিন্তু সাধারন পাঠকের জন্য ওটা বিরক্তিকর।

মন্তব্য লিখুন

security code
Write the displayed characters


busy
সর্বশেষ আপডেট ( Tuesday, 05 June 2007 )
 
< পূর্বে   পরে >