• Narrow screen resolution
  • Wide screen resolution
  • Auto width resolution
  • Increase font size
  • Decrease font size
  • Default font size
Member Area

নিসর্গ : বাংলার প্রকৃতি | Nishorga : Bangladesh Nature & Environment

Saturday
Jul 05th
হোম arrow প্রবন্ধ arrow আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস ২০০৬
আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস ২০০৬ প্রিন্ট কর ইমেল
লিখেছেন Muntasir Mamun   
Thursday, 28 December 2006
আর্টিকেল সূচি
আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস ২০০৬
প্রয়োজন সমন্বিত উদ্দ্যোগ
প্রতিবারের মত এবারও সারা বিশ্বব্যাপি আন্তর্জাতিক পর্বত দিবসটি উদযাপিত হয়েছে ১১ ডিসেম্বর এ। ২০০৩ সালে ইউনাইটেড নেশান্স ঘোষিত এই দিবসটির তাৎপর্য যথেষ্ট। ২০০২ সালকে পরীক্ষামূলকভাবে আন্তর্জাতিক পর্বত বর্ষ করার মাধ্যমে এই দিবসটির গোরাপত্তন হয়েছিল। পর্বত তথা উচ্চ ভূমি সম্পর্কিত নানাবিদ বিষয়াদির প্রতি দৃষ্টিদান এবং সে বিষয়গুলোর প্রতি সচেতেনতা বৃদ্ধিই দিবসের মূল কারণ। এ দিবসটি গনসচেনেতা বৃদ্ধিওর পাশাপাশি পার্বত্য পরিবেশের সাথে আপামর জনসাধারণের মেলবন্ধনের এক
Image
দুই পাহাড়ের মাঝ দিয়ে বয়ে চলে নদী
অনাবিল সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি করে। আর আমাদের দেশের মত নদীমাকৃত ভৌগোলিক সীমা রেখায় এর প্রয়োজনীতা অনস্বীকার্য। কেননা আমাদের মূল ভু খন্ডের প্রায় বেশ কিছু অংশে আছে উচ্চ ভুমি যা মূলত টিলা নামে পরিচিত। আর তাই প্রতিবারের মত এবারের দিবসটির প্রতিপাদ্য 'উন্নত জীবনধারার জন্য পার্বত্য অঞ্চলে জৈব বৈচিত্র রক্ষা' (Managing Mountain Biodiversity for Better Lives)।

নিজ ভুখন্ডসহ সারা বিশ্বব্যাপি পর্বত এবং পার্বত্য অঞ্চলসমূহের অধিবাসী, জনপদ, পরিবেশ ইত্যাদি বিষয়াদিকে মূল উপজীব্য করে গনসচেতেনতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উন্নয়নের নানা দিক বিবেচনা করে এগিয়ে যাওয়ার জন্যই এ দিবসটিকে বিশেষ মর্যাদায় উন্নীত করেছে জাতিসংঘ।

ক্ষুদ্র জাতিস্বত্তা, জীববৈচিত্র, নির্মল বায়ু, প্রকৃতি প্রভৃতি বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের কাছে পর্বত বা উচ্চভুমির মূল আর্কষণ হিসেবে কাজ করে। সে হিসেবে পার্বত্য অঞ্চলে পর্যটন আজ খুবই জনপ্রিয়। আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থার এক সমীক্ষায় দেখা গেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তথা ১৯৫০ এর আগে সারা পৃথিবীতে পর্যটকের সংখ্যা ছিল প্রায় ২৫ মিলিয়ন আর ১৯৯৫ সালের হিসেব অনুযায়ি এর সংখ্যা প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন। সংখ্যার এই ত্বত্তটি থেকে সহজেই অনুমেয় পর্যটনের ক্রমবর্ধমান বিকাশ। আর এতে আরও বলা হয় বর্তমানের পর্যটনের মূল আর্কষণে আছে পার্বত্য অঞ্চলের জীব-বৈচিত্র।

গত বছরের প্রতিপাদ্য বিষয়ের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় পার্বত্য অঞ্চলে লাগসই পর্যটনের মাধ্যমে কিভাবে ভাগ্যোন্নয়ন সম্ভব আর সে বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রেখেই এবারের দিবসটিকে আরও বেশি বাস্তবমূখী করা হয়েছে। কেননা উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক জৈব বৈচিত্রকে ধরে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ যে এখনই নিতে হবে তারই গুরুত্ব দেয়া হয়েছে এবার সবচেয়ে বেশি। কেননা উন্নয়নের পাশাপাশি বৈচিতর কে যদি লালন করা সম্ভব না হয়ে থাকে, তাতে স্বকীয়তা হারানোর ভয় যেমন থাকে তেমনি যে কারণে সেই বিশেষ স্থানটি সবার কাছে আর্কষণের তাও বিলিন হতে পারে।

আমাদের পার্বত্য তিন জেলাতে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার পাশাপাশি পর্যটনের প্রসার দারুণভাবে লক্ষ্যণীয়। ইকো টুরিজমের আওতাধিন বিভিন্ন পার্কগুলোতে সারা বছরই পর্যটকের সংখ্যা চোখে পড়ার মত। পর্যটনের প্রসারের মাধ্যমে স্থানীয় অধিবাসীর ভাগ্যন্নয়ন যেমন সম্ভব তেমনি স্থানীয় অর্থনৈতিক স্থীতিশীলতা আনয়ন সম্ভব। বর্তমান বিশ্বে সর্বাপেক্ষা বৃহৎ ব্যবসায়ীক-ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত এই পর্বত-কেন্দ্রিক পর্যটন শিল্প বিশ্বের জিডিপি'র উর্দ্ধোগতিতে দারুণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তাই পর্যটন প্রসারের সাথে সাথে স্থানীয় সমাজিক এবং পারিপার্শিক পরিবেশের ভারসাম্য করার জন্য জৈব বৈচিত্রকে রক্ষা করার জন্য কার্যকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করার সময় এখনই । তাই এবারের এ দিবসটিতে জৈব বৈচিত্র রক্ষার দিকেই গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।শুধু তাই নয় এবারের বিষয়টি জাতিসংঘের 'মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এম ডি জি)' এর দরিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ দূরীকরণে আর টেকসই পরিবেশ রক্ষার যে দুটি অনুচ্ছেদ আছে তার জন্য একটি ফলপ্রসু উদ্যোগ।

জৈব বৈচিত্র এবং পর্বত, দুই'ই ওতোপ্রত ভাবে জড়িত। বায়োডাইভারসিটি বা জৈব বৈচিত্র বলতে পৃথিবীতে জীবিত প্রায় সকল প্রাণের বৈচিত্রকেই বুঝায়। আর সাধারণভাবে তিন ধরনের বায়োডাইভারসিটি বা জৈব বৈচিত্রা দেখা যায়
- জেনেটিক ডাইভারসিটি
- স্পিসিস ডাইভারসিটি
- ইকোসিস্টেম ডাইভারসিটি।



সর্বশেষ আপডেট ( Tuesday, 29 May 2007 )
 
< পূর্বে