Share |

Articles in "All"

উদ্ভিদগোষ্ঠীর বৈচিত্রতা নিয়ে মানব মনে প্রশ্ন অনেক। এর সঠিক সংখ্যা অনুসন্ধানের চেষ্টাও নতুন কিছু নয়। প্রাচীন ধারণার চেয়ে আধুনিক পর্যালোচনায় মানব মনের প্রশ্নের কিছুটা সমাধান হয়েছে। অধুনা পর্যালোচনায় বৈচিত্রময় উদ্ভিদগোষ্ঠীর সন্ধান পাওয়া গেছে, যা মাত্র এক তৃতীয়াংশ।

যেকোনো ধরনের সাপ নজরে পড়লেই হলো, ধেয়ে যাবে। সুকৌশলে গাঁথবে নখরে, বসবে এসে গাছের ডালে। দুই পা ও ঠোঁট ব্যবহার করে মারবে শিকার। খাবে তারপর। অবশ্য খোলা জায়গা না হলে বিষধর সাপকে এরা ঘাঁটায় না পারতপক্ষে। কিন্তু খোলা জায়গা হলে আক্রমণে যাবেই। বিষধর সাপ কি আর হার মানে সহজে! কিন্তু এই পাখিও ওস্তাদ শিকারি।

টিকটিকির লেজ খসে গেলে ঠিক গাছের ডালের মতো কিছুদিন পর তা আবার আপনা থেকেই গজিয়ে ওঠে। মানুষের ক্ষেত্রে কেন এমন হয় না এমন প্রশ্ন বহু দিনের। এবার বোধ হয় এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে। কারন বিজ্ঞানিরা এবার অন্য একটি প্রাণী- স্যালামান্ডারের পা গজাবার রহস্য উদঘাটনে অনুসন্ধান চালাবে। এই জন্য তারা প্রণীটির প্রোটিন নিয়ে ব্যাপক গবেষনা শুরু করেছেন বছর খানেক আগে।

সুন্দরবনের বনচারীদের ওপর বাঘের আক্রমণ বেড়ে গেছে। সাম্প্রতিক অতীতে বনের এতগুলো এলাকায় বাঘের এমন আগ্রাসী আচরণ দেখা যায়নি বলে বনপ্রান্তবাসীরা জানিয়েছেন। গত জুন মাস থেকে শুরু হয়ে এ পর্যন্ত ২১ জন বাঘের আক্রমণের মুখে পড়েছে।

মিঠা পানির অনেক মাছই আমাদের দেশ থেকে হারিয়ে গেছে। এক সময় এদেশের নদী-খালে-বিলে নানা প্রজাতির মিঠাপানির মাছ পাওয়া যেত। মামা-চাচাদের কাছে শোনা মাছ ধরার গল্প আজ কেবলই গল্প। এর মাঝেও হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়া মাছ পাওয়া গেলে সম্ভাবনার আশা জাগায় মনে। সেরকমই একটি খবর দৈনিক প্রথম আলো ২০১০-০৭-২২ তারিখে প্রকাশ করে একটি খবর। নিসর্গের পাঠকদের জন্য এখানে তুলে রাখলাম।

ব্যতিক্রম কখনো উদাহরণ হতে পারে? সহজ উত্তর...না...তারপরও ব্যতিক্রমই হয়ে ওঠে আমাদের সব আকর্ষনের মূল! মহাপ্রভূর সৃষ্টি মানব সন্তানের কল্পনাকে বার বার আহত করে বলেই তা এতো দুর্নিবার আকর্ষনীয়...

ঘড়িয়াল এদেশের তথা গোটা উত্তর বঙ্গের খুবই ঐতিহ্যবাহী একটি প্রাণী। মূলত পদ্মা যমুনাতেই এর বড় আস্থানা। নদীর প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় আকারের প্রাণীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ ফিট আর ওজন প্রায় ১৫০ কেজির উপর। মেয়ে ঘড়িয়ালের চেয়ে পুরুষটি আরও লম্বা হয়। বাংলাদেশ ছাড়াও উত্তর ভারত,নেপাল,ভুটান,পাকিস্থানে এদের দেখা মেলতো। তবে এখন পাকিস্থান ও ভুটানে কোন ঘড়িয়াল নেই। ১৯৭০ সালের এক গননায় দেখা গেছে গোটা দুনিয়ায় মাত্র ২০০ ঘড়িয়াল টিকে আছে।

ঢাকার ভাওয়াল গড়ের শালবন একসময় ছিল উপমহাদেশখ্যাত। গত শতকের ষাটের দশক পর্যন্ত চিতা বাঘসহ নানা ধরনের বন্য প্রাণীর আবাসস্থল ছিল এই বন। প্রায় ৬৫ হাজার একরের এই বনভূমি ছিল ভাওয়াল জমিদারের সম্পত্তি। আজ এই বনভূমি ছেঁড়াখোঁড়া, রুক্ষ, প্রায় বৃক্ষহীন হয়ে বনের প্রেতচ্ছায়ায় পরিণত।

ঢাকার দূষিত বায়ুতে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার কারণে প্রতি তিনজন কোমলমতি স্কুলশিক্ষার্থীর মধ্যে দুজনই অ্যাজমায় আক্রান্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তাদের কেউই উত্তরাধিকার বা পারিবারিক সূত্রে শ্বাসকষ্টের রোগী নয়। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির আওতায় পরিবেশ অধিদপ্তর পরিচালিত 'ঢাকার স্কুলশিশুদের মধ্যে বায়ুদূষণের প্রভাব' শীর্ষক গবেষণায় এ ভয়াবহ তথ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

২০০৪ সালে ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ি এলাকায় এটি শিশু বয়সে গারোদের হাতে ধরা পড়ে। এর বৈজ্ঞানিক নাম নিওফেলিস নেবুলোসা। ক্যাটস পরিবারের সদস্য। একে লামচিতা বা মেঘলাচিতা বলে। তবে চিতার সঙ্গে নয়, জিনগতভাবে ব্যাঘ্রকুলের সঙ্গেই এদের মিল বেশি।

আগের পর্বে লিখেছিলাম বাংলাদেশের ৪ প্রকারের বনের কথা। আজকে বলছি এই চার প্রকারের এক 'শালবন' নিয়ে। এ বনের নামকরণ এর প্রধান বৃক্ষ (প্রায় ৯৫ ভাগ) শাল (Shorea robusta) এর কারণে।

বিশ্বব্যাপী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জীববৈচিত্র (Biodiversity) সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে জাতিসংঘ ২০১০ সালকে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র বর্ষ (International Year of Biodiversity) হিসেবে ঘোষণা করেছে।

"কৃষ্টি" নামে একটা পত্রিকা দেখেছিলাম অনেক আগে বাবার কাছে। এখনও মনে আছে নীল মলাটের মাঝে ক্ষয়ে যাওয়া পাতার মত দেখতে একটা দালান গোছের কিছু একটার ছবি।

এ দেশের একেবারের শেষ প্রান্ত তেঁতুলিয়ায় ছোট্ট ছবির মতো গ্রাম কাজীপাড়া। সামনেই ভারতের সীমানা। আমরা শুনতে এসেছি একটি পাখির ডাক, দূর শহর থেকে। চারদিকে মানুষের কানাকানি, ওরা ঢাকা থেকে এসেছে।

এদেশে শকুনের যেক’টি প্রজাতি আছে তাদের মধ্যে বাংলা শকুন ছাড়া প্রায় সব ক’টি জাতই হারিয়ে গেছে। বাংলা শকুনও এখন মৃত্যুপথযাত্রী। তাদের টিকে থাকার জন্য খাবার আর আবাস্থল নেই বললেই চলে।

টিয়ানিউর‌্যাপ্টর (ইংরেজি: Tianyuraptor) ছোট বাহুর ড্রোমিওসরিড ডাইনোসরদের একটি গণ। এরা ডারউইন বর্ণীত ট্রাঞ্জিশনাল ফসিল তথা অন্তর্বর্তীকালীন জীবাশ্মগুলোর একটি। উড়তে অক্ষম ডাইনোসর থেকে উড়নক্ষম ডাইনোসরে বিবর্তনের

বৈজ্ঞানিক নাম অনুসরণ করলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। কিন্তু প্রাত্যহিক জীবনে পুরো বৈজ্ঞানিক নাম অনুসরণ বেশ কঠিন। তাই সাধারণ্যে প্রচলিত নামের গুরুত্বও অনেক। অজগর বলতে ঠিক কি বোঝানো হবে এটা নিয়ে তাই সন্দেহ থেকে

ফ্রিঞ্জিলিডি (fringillidae) পরিবারভুক্ত এক ধরণের ছোট গায়ক পাখি। গায়ক হওয়ায় যথারীতি তাদেরকে প্যাসারাইন পাখি হিসেবে অভিহিত করা হয়। ফিঞ্চ কিন্তু কোন প্রজাতির নাম নয়।

কানাডিয়ান ফেডারেশন অফ স্টুডেন্টস (CFS) আয়োজিত দুই দিনের এক সিম্পোজিয়ামে গিয়েছিলাম ইউনিভার্সিটি অফ টরন্টো'র মিসিসাগা ক্যাম্পাসে। সিম্পোজিয়ামে গিয়ে দেখে এলাম একটি ছাত্র সংগঠন কিভাবে আগামীর লিডার তৈরী করে। সিম্পোজিয়ামের সেশনের পাশাপাশি চলেছে আমার প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ।

জঙ্গল থেকে বাঘ এসে লোকালয়ে হামলা চালাচ্ছে, মানুষজন আহত করছে, মারছে, গরু ছাগল-শুয়োর-কুকুর টেনে নিচ্ছে সুন্দরবনের বনসংলগ্ন লোকালয় থেকে। এটা কোনো নতুন ঘটনা নয়। বনপ্রান্তে জনবসতি গড়ে ওঠার সময় থেকেই বাঘের

চিত্রা হরিণ বাংলাদেশের স্থলজ স্তণ্যপায়ীর মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর ও নিরীহ। একসময় বাংলাদেশের অধিকাংশ গভীর বনে এর দেখা পাওয়া গেলেও এখন এর শেষ আশ্রয়স্থল সুন্দরবনসহ দু’চারটি বনে।

বাচ্চা ভূতটা হাড্ডিসার। মাথার খাপরি বের হয়ে এসেছে। চোখ দুটো গর্তে লুকানো। টর্চ লাইটের মতো তা ঠিকরে বের হচ্ছে। যেনো জয়নুলের দুর্ভিক্ষের সচল কোনো চিত্র। ‘আমরা এইহান থাইক্যা যাইগা মা’ বাচ্চা ভূত মা ভূতকে বলে।

আলোকচিত্রের পরিভাষায় বোকে (Bokeh) বলতে সাধারণতঃ সেই ছবিকে বোঝায় যেখানে ছবির মূল বিষয়কে ফুটিয়ে তুলতে আশেপাশের বিষয়গুলোকে অস্পষ্ট বা ঘোলা (Blur) করে দেয়া হয়।

বাংলাদেশে বন কতটুকু? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে একাধিক পরিসংখ্যান পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ বন বিভাগ এবং এবং অন্যান্য অর্গানাইজেশনের (যেমন FAO) পরিসংখ্যানের ভেতর পার্থক্য যথেষ্ট..