প্রকৃতিপর সৌন্দর্যের সাথে আমার প্রেম, প্রকৃতি প্রেমিক আমি। বনে বাদাড়ে ঘুরে বেড়াই, পাখি দেখি, ফুল দেখি, আর মাঝে মাঝে ছবি তোলার চেষ্টা করি।
নায়াগ্রা আমাকে টানে। খুবই টানে। কানাডার অন্টারিওতে থাকে অথচ নায়াগ্রা দেখেনি এমন মানুষ পাওয়া বিরল। ছোটবেলা থেকে যার কথা শুনে এসেছি কানাডায় আসার পনর দিনের মাথায় তার সাথে প্রথম দেখা।
গত ২ এপ্রিল সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে ৫০-৭০ কিমি দূরে জেলেদের জালে বিরল সামুদ্রিক মাছ “সামুদ্রিক সানফিশ” ধরা পড়েছে। এটি “স্লেন্ডার সানফিশ” নামেও পরিচিত। মাছটি অত্যন্ত বিরল এবং বাংলাদেশের জলসীমায় এটি আগে কখোনো দেখা যায়নি।
৬০-৮০ ফুট অগভীর সমুদ্রে ধরা পড়ার পর বয়স্ক জেলেরাও অবাক হয়ে যায়। এটি বর্তমানে কক্সবাজারে নির্মানাধীন পানওয়া বে পার্ক (Panowa Bay Park) যাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পার্কের জীববিজ্ঞানী রাগিব উদ্দিন আহমেদ এটি স্লেন্ডার সানফিশ হিসেবে সনাক্ত করেন। পরে তিনি এটি সংরক্ষণের উদ্দ্যোগ নেন।
যৌন প্রজনন ছাড়া বংশবিস্তারের ঘটনা প্রকৃতিতে বিরল নয়। সাধারণত নিন্ম শ্রেণীর প্রাণিতে এ ধরনের প্রজনন দেখা গেলেও কমোডো ড্রাগনের (Komodo Dragon) মত সরিসৃপ প্রাণি পুরুষ সঙ্গী ছাড়াই এবার ডিম দিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল ন্যাচার (Nature)-এ প্রকাশিত এক গবষণাপত্রে বলা হয় লন্ডনের চেস্টার চিড়িয়াখানার ফ্লোরা নামের এই স্ত্রী ড্রাগনটি বছরের মে মাসে মোট এগারটি ডিম দিয়েছে পুরুষ কোন সঙ্গী ছাড়াই।
নগরে নিসর্গ শিরোনামে একটা ধারাবাহিক লেখা শুরু করব ভাবছি প্রায় ২-৩ বছর ধরে। আজ পর্যন্ত শুরু করতে পারিনি। শহুরে জীবনে প্রকৃতির সান্নিধ্য পাওয়া যতটা কঠিন ভেবেছিলাম, কানাডায় এসে পেয়েছি তার উল্টোটা।
গ্রীষ্ম শুরু না হলেও তার আমেজ শুরু হয়ে গেছে। গত সপ্তাহের হঠাৎ-গরম শেষে এ সপ্তাহে আবার একটু নরম। আজ ৩রা মে ২০০৯, তাপমাত্রা ১৯ডিগ্রি সেলসিয়াস, রৌদ্রজ্জ্বল দিন।
গত কয়দিন বেশ ঠান্ডা ছিল। প্রকৃতিতে শীতের আগমনি প্রস্ততি চলছে। রাতে ৩-৪ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে আসে। সকালে ঘাসের গায়ে শিশির শুকাতে ঢের সময় লাগে। শীত আসি আসি করছে কিন্তু পুরোপুরি আসছেনা।
পেইন্টেড টার্টল (Painted turtle) নিয়ে যখন লেখার চিন্তা করি তখন খুজেঁ দেখি এর কোন বাংলা নাম নেই। এর নাম দেয়া যেতে পারে নকশী কাছিম অথবা রঙ্গিলা কাছিম*।
চলুননা ঘুরে আসি বাবলা দ্বীপ থেকে। অবাক হলেন? ভাবছেন বাবলা দ্বীপ আবার কোথায়? না, দূরে যাত্রার ধকল নেই, নেই সমুদ্রে ডুবে যাওয়ার ভয়। বিশাল সিন্ধুর জলরাশিও পেরোতে হবে না।