প্রথম আলো বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান দৈনিক পত্রিকা। লেখাটি প্রথম আলো এখানে প্রকাশ করেনি, বরং প্রথম আলো থেকে নিয়ে প্রকৃতিবিষয়ক খবর হিসেবে নিসর্গের পাঠকদের জন্য এখানে পুনপ্রকাশ করা হলো। -সম্পাদক।
মিঠা পানির অনেক মাছই আমাদের দেশ থেকে হারিয়ে গেছে। এক সময় এদেশের নদী-খালে-বিলে নানা প্রজাতির মিঠাপানির মাছ পাওয়া যেত। মামা-চাচাদের কাছে শোনা মাছ ধরার গল্প আজ কেবলই গল্প। এর মাঝেও হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়া মাছ পাওয়া গেলে সম্ভাবনার আশা জাগায় মনে। সেরকমই একটি খবর দৈনিক প্রথম আলো ২০১০-০৭-২২ তারিখে প্রকাশ করে একটি খবর। নিসর্গের পাঠকদের জন্য এখানে তুলে রাখলাম।
ছোট ছোট টবে তালগাছের চারার মতো গাছগুলো ঝোপবেঁধে রয়েছে। মাটিতেও সারবেঁধে গজিয়েছে অনেকগুলো। বিলুপ্তির শঙ্কা থেকে মুক্ত হয়ে আবারও পৃথিবীর বুকে মাথা তুলে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় তারা। পাশেই হতশ্রী চেহারায় এখনো দাঁড়িয়ে আছে
বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের উপকূলের বড় অংশ ডুবে যাওয়ার বিপরীতে সম্পূর্ণ নতুন তথ্য প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা বলেছেন, আগামী ১০০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে পলির পরিমাণ বাড়বে। এর ফলে দেশের বেশির ভাগ উপকূল ও নদী-তীরবর্তী এলাকা ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা নেই।
তামাকে ছেয়ে গেছে বান্দরবানের লামা পৌর শহর। ফসলের জমি, বাড়ির আঙিনা, পাহাড়ের ঢাল, এমনকি কোথাও এক চিলতে ফাঁকা জমি পেলেই তামাকের চাষ হচ্ছে। তামাক পাতায় ভরে গেছে মাতামুহুরী নদীর দুই তীর। পাহাড় থেকে নেমে আসা মাতামুহুরী এঁকে-বেঁকে বয়ে গেছে লামার বুক চিরে। এই নদীর মতোই সর্পিল বাঁক নিয়ে সুদূরে বিস্তৃত হয়েছে তামাক চাষের জমি। তা যেন একটি বিষধর সাপের মতোই পেঁচিয়ে ধরেছে এই জনপদকে।
কুনোব্যাঙ ভূমিকম্পের পূর্বাভাস পায়—গবেষণায় এ রকম ইঙ্গিত পাওয়ার দাবি করেছেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা। গতকাল বুধবার ওই বিজ্ঞানীরা জানান, তাঁরা দেখেছেন ইতালির সাম্প্রতিক এক বড় ভূমিকম্প আঘাত হানার পাঁচ দিন আগে অসংখ্য ব্যাঙ তাদের প্রজননক্ষেত্র ছেড়ে চলে যায়। সম্ভবত ভূমিকম্প হবে বিষয়টি টের পেয়েই এমন আচরণ করেছিল ব্যাঙগুলো। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।