প্রোফাইল

Articles by this author:

  • মেঘডম্বুর বা অজগর মাঝেমধ্যে গাছে জড়িয়ে থাকলেও প্রধানত মাটিতে বা জলার ধারে ঘাপটি মেরে থাকা প্রাণী। সাংবাদিক বন্ধু মোরশেদ আলী খান এ বছর জিউধারার কাছে একটি ছোট খালে এমনই এক অজগর দেখতে পান। প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ প্রাণীটি জলার ধারে গা ডুবিয়ে গ্রামবাসীদের পোষা হাঁস ধরার চেষ্টায় ছিল।

  • যেকোনো ধরনের সাপ নজরে পড়লেই হলো, ধেয়ে যাবে। সুকৌশলে গাঁথবে নখরে, বসবে এসে গাছের ডালে। দুই পা ও ঠোঁট ব্যবহার করে মারবে শিকার। খাবে তারপর। অবশ্য খোলা জায়গা না হলে বিষধর সাপকে এরা ঘাঁটায় না পারতপক্ষে। কিন্তু খোলা জায়গা হলে আক্রমণে যাবেই। বিষধর সাপ কি আর হার মানে সহজে! কিন্তু এই পাখিও ওস্তাদ শিকারি।

  • জলের কুমির কেউ যদি গহিন অরণ্যময় পাহাড়চূড়ায় দেখতে পান, একটু অবাক তো হবেনই। একটি-দুটি নয়, ৪৯টি কুমির একসঙ্গে বিচরণ করছে পাহাড়চূড়ার এক বিশাল আস্তানায়। এখানেও তারা দিব্যি সামুদ্রিক মাছ, হাঁস, মুরগি ও গরুর মাংসে উদর পূর্তি করে চলেছে। মানুষ দেখলে কুমিরগুলো হাঁ করে থাকে। তবে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মানুষকে আক্রমণ করার উপায় নেই এদের। অরণ্যবাসী এই কুমির দেখতে হলে যেতে হবে পার্বত্য বান্দরবানে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে, ঘুমধুম ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা তুমব্রু গ্রামে রয়েছে এরা।

  • নদীদূষণ কমাতে এ বছরের ৬ জানুয়ারি ঢোল পিটিয়ে বর্জ্যবিরোধী অভিযান শুরু করেছিল বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। ১৭ দিনের অভিযানে বুড়িগঙ্গায় সবচেয়ে দূষিত বাদামতলী থেকে কামরাঙ্গীরচর এলাকার তলদেশ এবং ওপরের অংশ থেকে ৬৫ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছিল। এরপর এক বছর কেটে গেছে, আর কোনো দৃশ্যমান অভিযান নেই।

  • প্রথম আলো'র এই খবরটি পড়ে আমি একটু সার্চ করে বুঝতে পারি যে প্রথম আলোতে প্রকাশিত ইংরেজী এবং বৈজ্ঞানিক নামটির বানান ভুল ছিলো। এই প্রজাতির বানরের আরেকটি প্রজাতি হলো Bengal Loris (Nycticebus bengalensis)

  • মিঠা পানির অনেক মাছই আমাদের দেশ থেকে হারিয়ে গেছে। এক সময় এদেশের নদী-খালে-বিলে নানা প্রজাতির মিঠাপানির মাছ পাওয়া যেত। মামা-চাচাদের কাছে শোনা মাছ ধরার গল্প আজ কেবলই গল্প। এর মাঝেও হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়া মাছ পাওয়া গেলে সম্ভাবনার আশা জাগায় মনে। সেরকমই একটি খবর দৈনিক প্রথম আলো ২০১০-০৭-২২ তারিখে প্রকাশ করে একটি খবর। নিসর্গের পাঠকদের জন্য এখানে তুলে রাখলাম।

  • ছোট ছোট টবে তালগাছের চারার মতো গাছগুলো ঝোপবেঁধে রয়েছে। মাটিতেও সারবেঁধে গজিয়েছে অনেকগুলো। বিলুপ্তির শঙ্কা থেকে মুক্ত হয়ে আবারও পৃথিবীর বুকে মাথা তুলে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় তারা। পাশেই হতশ্রী চেহারায় এখনো দাঁড়িয়ে আছে

  • বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের উপকূলের বড় অংশ ডুবে যাওয়ার বিপরীতে সম্পূর্ণ নতুন তথ্য প্রকাশ করেছেন।

    বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা বলেছেন, আগামী ১০০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে পলির পরিমাণ বাড়বে। এর ফলে দেশের বেশির ভাগ উপকূল ও নদী-তীরবর্তী এলাকা ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা নেই।

  • তামাকে ছেয়ে গেছে বান্দরবানের লামা পৌর শহর। ফসলের জমি, বাড়ির আঙিনা, পাহাড়ের ঢাল, এমনকি কোথাও এক চিলতে ফাঁকা জমি পেলেই তামাকের চাষ হচ্ছে। তামাক পাতায় ভরে গেছে মাতামুহুরী নদীর দুই তীর। পাহাড় থেকে নেমে আসা মাতামুহুরী এঁকে-বেঁকে বয়ে গেছে লামার বুক চিরে। এই নদীর মতোই সর্পিল বাঁক নিয়ে সুদূরে বিস্তৃত হয়েছে তামাক চাষের জমি। তা যেন একটি বিষধর সাপের মতোই পেঁচিয়ে ধরেছে এই জনপদকে।

  • কুনোব্যাঙ ভূমিকম্পের পূর্বাভাস পায়—গবেষণায় এ রকম ইঙ্গিত পাওয়ার দাবি করেছেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা। গতকাল বুধবার ওই বিজ্ঞানীরা জানান, তাঁরা দেখেছেন ইতালির সাম্প্রতিক এক বড় ভূমিকম্প আঘাত হানার পাঁচ দিন আগে অসংখ্য ব্যাঙ তাদের প্রজননক্ষেত্র ছেড়ে চলে যায়। সম্ভবত ভূমিকম্প হবে বিষয়টি টের পেয়েই এমন আচরণ করেছিল ব্যাঙগুলো। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।