প্রোফাইল

Articles by this author:

  • ঘড়িয়াল এদেশের তথা গোটা উত্তর বঙ্গের খুবই ঐতিহ্যবাহী একটি প্রাণী। মূলত পদ্মা যমুনাতেই এর বড় আস্থানা। নদীর প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় আকারের প্রাণীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ ফিট আর ওজন প্রায় ১৫০ কেজির উপর। মেয়ে ঘড়িয়ালের চেয়ে পুরুষটি আরও লম্বা হয়। বাংলাদেশ ছাড়াও উত্তর ভারত,নেপাল,ভুটান,পাকিস্থানে এদের দেখা মেলতো। তবে এখন পাকিস্থান ও ভুটানে কোন ঘড়িয়াল নেই। ১৯৭০ সালের এক গননায় দেখা গেছে গোটা দুনিয়ায় মাত্র ২০০ ঘড়িয়াল টিকে আছে।

  • এ দেশের একেবারের শেষ প্রান্ত তেঁতুলিয়ায় ছোট্ট ছবির মতো গ্রাম কাজীপাড়া। সামনেই ভারতের সীমানা। আমরা শুনতে এসেছি একটি পাখির ডাক, দূর শহর থেকে। চারদিকে মানুষের কানাকানি, ওরা ঢাকা থেকে এসেছে।

  • এদেশে শকুনের যেক’টি প্রজাতি আছে তাদের মধ্যে বাংলা শকুন ছাড়া প্রায় সব ক’টি জাতই হারিয়ে গেছে। বাংলা শকুনও এখন মৃত্যুপথযাত্রী। তাদের টিকে থাকার জন্য খাবার আর আবাস্থল নেই বললেই চলে।

  • চিত্রা হরিণ বাংলাদেশের স্থলজ স্তণ্যপায়ীর মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর ও নিরীহ। একসময় বাংলাদেশের অধিকাংশ গভীর বনে এর দেখা পাওয়া গেলেও এখন এর শেষ আশ্রয়স্থল সুন্দরবনসহ দু’চারটি বনে।

  • জীবজগতের একটা বিরাট অংশ গোটা পৃথিবী থেকেই খুব দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশের বিপন্ন পশু-পাখির মধ্যে শামুকখোল অন্যতম।

  • শ্বেত বা অ্যালবিনো সরালী দেখা খুবই বিরল একটা ঘটনা। বাংলাদেশে শ্বেত সরালীকে এই প্রথম দেখা গেল। অনেকে শ্বেত কাক দেখেছেন বলে বলেন কিন্তু শ্বেত সরালীকে আমাদের দেশেই পাওয়া যাবে তা একদম অবাক করা ব্যাপার।

  • প্রাকৃতিকভাবেই বাংলাদেশ অনেক সম্ভাবনার দেশ। তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত,শীতকাল ও গ্রীষ্মকাল সবকিছু বিবেচনা করলে আমরাও ফার্মিংয়ের ক্ষেত্রে পশ্চিমাদের মত এগিয়ে যেতে পারি।

  • জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণিবিদ্যা বিভাগ স্থাপিত হবার পর থেকে প্রতি বছরই স্টাডি ট্যুর হয়ে থাকে। এ বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান প্রফেসর ড: মোস্তফা ফিরোজ প্রথম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন