Share |

ব্লগ

আমার বাসা থেকে কিংসভিল শহর চল্লিশ মিনিটের ড্রাইভ। কিংসভিলের কাছে রুথভেন। ছোট্ট একটা বসতি। কলাসান্টি নাতিশীতোষ্ণ বাগান সেখানেই। ইংরেজীতে বলে [url=http://colasanti.com/]Colasanti's Tropical Gardens[/url]. ট্রপিক্যাল গার্ডেনের কথা শুনে প্রথমে কেন যেন ট্রপিক্যাল ফরেস্ট ভেবেছিলাম। সেই ভাবনা থেকেই সেখানে যাওয়া।

ইংরেজীতে বলে Downy woodpecker. এর বাংলা করলে দাঁড়ায় রোমশ কাঠঠোকরা বা ফেঁশো কাঠঠোকরা। পাখির ছবি তোলা খুবই কঠিন। চেষ্টা করছি কিভাবে পাখির ছবি তোলা যায় সেটা বুঝতে। গতকালের তোলা ছবি। এটি পুরুষ। মেয়েদের মাথার উপর লাল অংশটুকু থাকেনা। পশু/পাখিদের মধ্যে পুরুষরাই রঙিন বা বেশী আকর্ষণীয়।

ব্লু বনেট টেক্সাসের জাতীয় ফুল যদিও পুরো বছরে মাত্র কয়েক সপ্তাহ দেখা পাওয়া যায় এর। মার্চের শেষ থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি দেখা যায় এদের। এই সময়টাতে রাস্তার পাশেই ফুটে থাকে থরে থরে এই ফুল। মাত্র কয়েক ইঞ্চি লম্বা এই ফুলগুলো রাস্তার পাশের পতিত জমিকে একদম নীল চাদরের মত মুড়ে দেয়। স্প্রীং টাইমে এই ফুলের পাশে পারিবারিক ছবি তোলা মনে হয় টেক্সানদের অন্যতম প্রিয় একটা অভ্যাস।

চিরসুন্দর এই দেশ আমার বাংলাদেশ। নীলগিরি, বান্দরবান নিয়ে একটি ছবি ব্লগ।

গত সপ্তাহে ফ্লিকারে এসেছে চমৎকার কিছু ছবি। সেগুলোর বেশ কয়েকটি আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। ছবিগুলো ফ্লিকারের শ্যামলী নিসর্গ থেকে নেয়া। ফ্লিকারে শ্যামলী নিসর্গে আপনার প্রকৃতি বিষয়ক ছবি যোগ করুন। সেখান থেকে বাছাই করা ছবি নিয়ে রিভিউ প্রকাশ করা হবে।

বিশ্বপরিক্রমায় ব্রাছিল যাবার সুযোগ হয়েছিল বছর দুয়েক আগে। আর তাই যাবার আগেই ব্রাছিল সম্পর্কে যে ধারনাটা ছিল তা মূলত সাম্বা কেন্দ্রিক আর ফুটবল। মৌসুমি ফুটবল লাভার হবার কারণে সাম্বাই মূল আর্কষণ ছিল ব্রাছিলের ব্যাপারে। বস্তুত দক্ষিণ আমেরিকার সর্ব বৃহৎ এই দেশটি বর্তমানে পৃথিবীর অষ্টম শক্তিশালী অর্থনৈতিক অবকাঠামো। আর মহাবন আমাজন কেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যের কারণে ১০ বছর আগের ব্রাছিল আর আজকের ব্রাছিলের মাঝে আকাশ পাতাল তফাৎ। এখন ১০০ মার্কিন

পর্যটক হিসাবে সুন্দরবনে গিয়ে বাঘের দেখা পেয়েছেন তেমন লোক হাতে গোনা যাবে। আর খপ্পরে পড়েছেন? নাহ্, আমি অন্তত তেমন কিছু শুনিনি কোনদিন। তবে, যতবার গিয়েছি আশেপাশের কেউ তার শিকার হয়েছেন সেকথা শুনেছি প্রতিবার। কখনও লাশ ফিরিয়ে আনা গেছে, কখনও পাওয়া যায়নি। এই যেমন, এবারে তিন জনকে বাঘে ধরার খবর শুনেছি, তিনটাই ছিলো টাটকা। দুজনের লাশ ফিরিয়ে আনা গেছে আর একজনকে আহত অবস্থায়। একটা করে খবর আসে আর আমাদের বাপ্পিদা ফোনে সংবাদ

মানুষের সব ইচ্ছেই যদি পূর্ণ হতো তাহলে বোধকরি পৃথিবী এত সুন্দর হতো না … আইনস্টাইনের সেই অদৃশ্য বংশীবাদক, যার যেখানে অবস্থান, তাকে ঠিক সেখানেই রেখে তার বাঁশী বাঁজিয়ে যাচ্ছেন অনন্তকাল ধরে…গাছ থেকে বরাবর পেয়ারা পেড়েছি গাছে উঠেই। পেয়ারা গাছ আর শান বাঁধানো উঠোন মানেই আমার কাছে আমাদের বাড়ীর আজন্ম চিত্র। পেয়ারা গাছটা আমার গৃহাভ্যন্তরীন খেলার বস্তুর মতই প্রিয় ছিল, তবে তার ঋতূভিত্তিক পাতার রঙ-বদল আর আশ্চর্য্য ভাস্কর্যের মত পেটানো শরীর আমাকে মোহিত করতো

আমার সাথে তখন দুটো বড় সাইজের কেকও আছে, একটা চকোলেট কেক অন্যটা লেমন কেক, আর আছে ওট দিয়ে বানানো মিষ্টি কুমড়োর ডাবল চকোলেট। চকোলেট কেক দিয়ে আমার কবুতর খাওয়ানো শুরু হলো।