প্রজনন মৌসুমে যে পাখিটি ঊর্ধ্বাকাশে উঠে বৃত্তাকারে উড়ে উড়ে, ঘুরে ঘুরে আনন্দে মিষ্টি সুরে ডাকাডাকি করে, প্রেমিক-প্রেমিকা আকুল হয়ে বিমানের ‘ডগ ফাইট’-এর কৌশলে পরস্পরকে ধাওয়া করে এবং যে পাখি-দম্পতি কেবল উড়তে শেখা বাচ্চাদের নিয়ে ওড়ার মহড়া করায় ওই ঊর্ধ্বাকাশেই বিন্দু হয়ে, আনন্দে চেঁচিয়ে আশপাশের সবাইকে জানান দেয়, ‘দেখ দেখ, আমাদের বাচ্চারা উড়তে শিখেছে, বুক ভরা আনন্দ তাই আজ আমাদের;’ সেই পাখিটিই যখন প্রবল আক্রোশ ও কৌশলে বিষধর কেউটে বা গোখরো সাপ শিকার করে নখরে গেঁথে উড়াল দেয়, তখন যেন ধন্দ লেগে যায়। এমনিতে শিকারি এই পাখি চুপচাপ থাকতেই পছন্দ করে; মাঠ-বিলের কিনারের কোনো গাছের ডালে, নারকেল-তালগাছের পাতার ওপর