Share |

Content about Kids

June 21, 2009

বাচ্চা ভূতটা হাড্ডিসার। মাথার খাপরি বের হয়ে এসেছে। চোখ দুটো গর্তে লুকানো। টর্চ লাইটের মতো তা ঠিকরে বের হচ্ছে। যেনো জয়নুলের দুর্ভিক্ষের সচল কোনো চিত্র। ‘আমরা এইহান থাইক্যা যাইগা মা’ বাচ্চা ভূত মা ভূতকে বলে।

বাচ্চা ভূতটা হাড্ডিসার। মাথার খাপরি বের হয়ে এসেছে। চোখ দুটো গর্তে লুকানো। টর্চ লাইটের মতো তা ঠিকরে বের হচ্ছে। যেনো জয়নুলের দুর্ভিক্ষের সচল কোনো চিত্র। ‘আমরা এইহান থাইক্যা যাইগা মা’ বাচ্চা ভূত মা ভূতকে বলে।

‘যাবি’ বলে মা ভূতটা বিষন্ন দৃষ্টি মেলে।

মা ভূতটাও হাড়জিরজিরে। পাঁজরের সবগুলো হাড় গোনা যায়। পাটকাঠির মতো তা বের হয়ে আছে।

‘হ, যাইগ্যা। এইহানে আর থাকা যাইবো না। সব গাছ কাইট্যা ফালাইত্যাছে। সারারাত বিজলি বাতি জ্বলে। হ্যার জন্য রাইতে ঘর থাইক্যা বাইর হয়া যায় না। খাওয়া নাই।’

April 10, 2004

এক ছিল পরী। নাম ছিল তার ইকো। সে সারাদিন বন-জঙ্গল, পাহাড়-পর্বত, খালবিল আর নদীর পাড় দিয়ে লাফিয়ে আর নেচে বেড়াতো। তার চেহারা এতো চমৎকার ছিল যে সবাই শুধু তার দিকে তাকিয়েই থাকতো।

এক ছিল পরী। নাম ছিল তার ইকো। সে সারাদিন বন-জঙ্গল, পাহাড়-পর্বত, খালবিল আর নদীর পাড় দিয়ে লাফিয়ে আর নেচে বেড়াতো। তার চেহারা এতো চমৎকার ছিল যে সবাই শুধু তার দিকে তাকিয়েই থাকতো। কিন্তু সে এতো বেশি কথা বলতো যে কারো সাথে কথা বলা শুরু করলে আর থামতেই চাইতো না। ঘন্টার পর ঘন্টা সে এতো বেশি বকবক করে চলতো যে তার সঙ্গীরা শেষ পর্যন্ত ভীষণ বিরক্ত হয়ে উঠতো। ইকোর বেশি অনবরত কথা বলায় একবার দেবতা জুনো এতো বেশি বিরক্ত হলেন যে তিনি তার কথা বলার ক্ষমতা বন্ধ করে দিলেন। তারপর থেকে ইকো লোকজনের কথার মাত্র দু’তিনটে শব্দ অনুকরণ করতে আবার বলতে পারতো। মাঝে মাঝে সে পশুপাখির ডাকও নকল করতে পারতো।